ভোলার বাঘমারা ব্রীজ ভ্রমণ | NRD’s Tour 054|

ঘুরতে পছন্দ করি খুব, পছন্দ করি আল্লাহ তাআলার সুন্দর সুন্দর সৃষ্টি দেখতে। আর আমি সবচেয়ে পছন্দ করি আমার নিজ জেলা ভোলাকে দেখতে। ইদ উল আজহা ২০২০ এ আমি ভোলা জেলার বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমন করেছিলাম। বোরহানউদ্দিন উপজেলা, ভোলা সদরের তুলাতুলি নদী, ভোলা সদরের ভেদুরিয়া ব্রীজ ভ্রমণ করার পর আমার সৌভাগ্য হয় ভোলার বাঘমারা ব্রীজ ভ্রমণ করার। কেননা ভোলা জেলার নতুন এ ব্রীজটি সমন্ধে বহুদিন ধরে বন্ধুদের মুখে শুনে আসছি কিন্তু কখনো যাওয়া হয়নি।

বিকেল ৫ টা ২৬ মিনিটটে আমরা বাঘমারা ব্রীজের উদ্দেশ্যে

আগস্ট ৭, ২০২০ রোজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ আদায় করার পর মন ভালো করার জন্য আমার বন্ধু শান্ত, সাব্বির আর ছোট ভাই স্বপনের সাথে গল্প করছিলাম। হঠাৎ করেই সাব্বিরের মাথায় নতুন একটি সুন্দর পরিকল্পনা আসলো, সে বলে উঠলো, চলনা আমরা কোথাও হতে ঘুরে আসি। আমি বললাম ঠিকাছে; চলো যাওয়া যাক। শান্ত-ও খুব ইচ্ছা পোষন করলো। তারা বললো ঠিক ৪টায়  তৈরি হয়ে থাকতে এবং সাব্বির এবং স্বপন তাদের মোটরবাইক নিয়ে আসবে। আমিও বাসায় গিয়ে অপেক্ষা করছিলাম তাদের জন্য। আমার আসলে উত্তেজনায় ঘুম আসলো না। বার বার হাতঘড়ি দেখছিলাম আর তাদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। ৪ টায় আসবে বলে তারা তিনজন ঠিক সাড়ে পাঁচ টায় আমার বাসায় এসেছিলো। এবং আমরা চলছিলাম ভেদুরিয়া ব্রীজের উদ্দেশ্যে। যেহেতু আমি ঠিক গত পরশুই ভেদুরিয়া ব্রীজ ঘুরে এসেছিলাম তাই তাদের বাঘমারা ব্রীজে ভ্রমণ করার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। বাঘমারা ব্রীজে তারা তিনজনই কয়েকবার ভ্রমণ করেছিলো। তাই তারা বাঘমারা ব্রীজ সমন্ধে যথেষ্ট জানতো। এজন্য তাদের সাথে ভ্রমণ করাটা খুবই ভাগ্যের বটে।

১০০ মিটার দূর থেকে বাঘমার ব্রিজ
গলায় ডিএসএলআর ক্যামেরা আর হাতে নোকিয়া ৬ মোবাইল নিয়ে আমি চললাম বাঘমারা ব্রীজের উদ্দেশ্যে।

একমাত্র নতুন ভ্রমণকারী হবার জন্য আমার উত্তেজনা অনেক বেশি ছিল। আর তাই গলায় ডিএসএলআর ক্যামেরা আর হাতে নোকিয়া ৬ মোবাইল নিয়ে আমি চললাম বাঘমারা ব্রীজের উদ্দেশ্যে।

আমরা ঠিক দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে নিলাম। শান্ত চললো সাব্বিরের নতুন বাইকে আর আমি চললাম স্বপনের বাইকে করে। সাব্বির খুব দ্রুত বাইক চালায় আর স্বপন খুব সাবধানে বাইক চালায়, আর তাই আমার স্বপনের বাইকে চড়তেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছিলাম।

আমি আসলো জানতাম না ভেদুরিয়া-ভেলুমিয়া পথ দিয়ে বাঘমারা ব্রীজে যাওয়া যায়। আসলে আমার জানা ছিলো না; বাঘমারা ব্রীজ কোথায় অবস্থিত। ভোলা সদর-ভেদুরিয়া-ভেলুমিয়ার পথ ধরে আমি বাঘমারা ব্রীজের দিকে যাচ্ছিলাম আর ভাবছিলাম এ ভ্রমণটা কেমন হবে। ভোলার সবুজ শ্যামল প্রকৃতি আমাকে বরাবরের মতোই বিমোহিত করে। এ ভ্রমণটিও তার ব্যতিক্রম নয়। বাঘমারা যাবার পথে আমরা ভেদুরিয়া ব্রিজটিতে কিছু সময় কাটিয়েছিলাম। হালকা নাস্তা করার পর আমরা আবার বাঘমারা ব্রিজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম।

Bhagmara Bridge, Bhagmara, Bhelumia UP, Bhola

বাঘমারা ব্রীজ মূলত বাঘমারা নদীর উপর অবস্থিত। ভোলা সদর উপজেলা থেকে বাঘমার ব্রিজ প্রায় ১৫ কি.মি দূরে অবস্থিত। অনেক ভোলাবাসীই বাঘমারার অবস্থান নিয়ে যথেষ্ট কম ধারণা রাখে। অনেকেই জানে বাঘমারা ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার বাংলাবাজারে অবস্থিত। কিন্তু বাঘমারা মূলত ভেলুমিয়ার একটি গ্রাম। ভেলুমিয়া ভোলা উপজেলার সর্ব উত্তরের একটি ইউনিয়ন পরিষদ। বাঘমারা নদী মূলত উত্তর ভোলার সাথে পটুয়াখালী জেলার সংযোগ করে। অতীতে এ বাঘমারা নদী ব্যবহার করে প্রায় ২.৫ ঘন্টা সময় লাগতো উত্তর ভোলা থেকে পটুয়াখালী জেলায় ভ্রমণ করতে। ভোলা জেলার মানুষের দু:খ দূর করার জন্য ২০১২ সালে সরকার তমা কন্স্ট্রাকশন দিয়ে বহুল প্রতীক্ষিত এ ব্রিজটি তৈরি করে।  প্রায় ১৫০০ ফুট দীর্ঘ বাঘমারা ব্রীজ তৈরি করতে ৪২ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। বাঘমারা ব্রিজের পূর্ব তীরে প্রায় ১২০ মিটার এবং পশ্চিম তীরে প্রায় ৩৬০ মিটার রাস্তা রয়েছে।

ভোলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে ভোলার পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদী। যতোবারই আমি ভোলার এ সৌন্দর্য অবলোকন করি আমার সেই ক্লাস সেভেন, এইট-এ আমার করা আর্টের কথা মনে পড়ে। আমার সেই আর্টে থাকতো অনেক বড় বড় গাছ, তার পাশে খড়কুটো, গ্রামের দোচালা বাড়ি, গরুর খামার আর তার পাশে বয়ে যেত আঁকাবাঁকা নদী।

বাঘমারা যাবার আগে আমার ধারণা ছিল হয়তোবা ওখানে যাবার রাস্তাগুলো অতো গোছালো হবে না। কিন্তু ভেলুমিয়া হতে বাঘমারা যাবার রাস্তাগুলো আমার সেই ধারণা বদলে দিয়েছিল। প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট সময় পর আমরা বাঘমারা ব্রিজে পৌছেছিলাম। বাঘমারা ব্রিজের যে জিনিসটা আমাকে সবচেয়ে অবাক করেছে তা হলো বাঘমারা ব্রিজের দৈর্ঘ্য। প্রায় ৪৫৭ মিটার এ ব্রীজটি ভোলাবাসীর জন্য এক বিশাল স্বপ্নের বাস্তবায়নও বটে।   

এভাবেই বাঘমার ব্রীজ থেকে বিকেলের নদীসৌন্দর্য উপভোগ করছিলাম

 প্রায় ২০ মিনিট পর আমরা বাঘমারা ব্রীজে গিয়ে পৌছালাম। ছোট এ ভ্রমণটি আরো উপভোগ্য হয়ে উঠেছিল বিকেল বেলার সুন্দর প্রকৃতির জন্য। বিকেলে আমাদের প্রত্যেকটা সময় যেন স্বপ্নের মত কেটেছিলো। ভ্রমণের এক ফাঁকে আমরা সবাই হালকা নাস্তা করে নিলাম।

 সন্ধ্যাবেলায় হালকা নাস্তা খাবার পর আমরা সবাই রওয়ানা দিলাম বাসার উদ্দেশ্যে। কিন্তু পথিমধ্যে কিছু সময় ভেদুরিয়া ব্রীজে সময় কাটানোর পর আমাদের সবার ইচ্ছা হলো তুলাতুলী যাবার। আপনাদের বলে বুঝাতে পারবো না আমরা ভোলাবাসীরা তুলাতুলী ঘুরতে যাবার ক্ষেত্রে কতটা আবেকপ্রবণ। কেউ যদি আমাদের রাত্র তিনটায়ও তুলাতুলী যাবার প্রস্তাব দেয় আমরা ভোলাবাসী-তাও পারবো। কিন্তু এবার তুলাতুলী যাবার কারণটা ছিলো কিছুটা আলাদা। কারণ ওখানো খুব সুন্দর খাটি গরুর খাটি দুধের চা পাওয়া যায় তাও যথেষ্ট কম দামে। তাই সাব্বিরের তুলাতুলী যাবার এই প্রস্তাবটাকেও না করতে পারলাম না।

বাম পাশ থেকে আমি, শান্ত আর সাব্বির তুলাতুলীর সেই বিখ্যাত খাটি গরুর দুধের চা খাচ্ছি

রাত্র ৯টা ২০ মিনিটে আমরা তুলাতুলী গিয়ে পৌছালাম। ওখানে গিয়েই আমরা প্রথমে খাটি গরুর, খাটি দুধের চা পান করলাম। তুলাতুলীতে কিছুটা সময় কাটিয়ে প্রায় ১০ টায় আমরা আমাদের নিজ নিজ বাসার জন্য রওয়ানা দিলাম। সত্যি বলছি এবার মন না চাইলেও বাসাতেই গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার একটি জিনিস খুবই অবাক লেগেছে। বিকেল ৫ টা থেকে রাত্র ১০ টা ২০ মিনিট ; এই ৫ ঘন্টা ২০ মিনিট কিভাবে কেটে গেলো ; একজন একাউন্টেন্ট হয়েও আমি তা গনতে পারিনি।

সত্যিই মজার সময়গুলো এমনই হয়। আসে খুব দেরী করে কিন্তু যায় খুব তাড়াতাড়ি। কি বলেন বন্ধুরা।

To know Tour to Tour to Bhagmara Bridge of Bhola (NRD’s Tour 054) in English please click the link below: https://iamnrdurjoy.wordpress.com/2020/10/22/nrds-tour-054-english/

ইউটিউবে আপলোড করা আমার বাঘমারা ব্রীজে ভ্রমণ করার ভিডিও ব্লগ।

বিটমোজি অ্যাপ- যে অ্যাপ দিয়ে আপনার নিজের ছবিকে কার্টুন বানিয়ে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন

আজকে আমি আপনাদের সাথে অনেক সুন্দর একটি অ্যাপ শেয়ার করবো, যে অ্যাপটি দিয়ে আপনি আপনার নিজের ছবিকে অবতার বা কার্টুন বানিয়ে; আপনি নিজেই গুগল কিবোর্ড-এর মাধ্যমে শেয়ার করতে পারবেন।

বিটমোজি অ্যাপ- যে অ্যাপ দিয়ে আপনার নিজের ছবিকে কার্টুন বানিয়ে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন
গুগল প্লেস্টোরে বিটমজি অ্যাপ

এ সময়ের জনপ্রিয় এ অ্যাপটি Bitstrips নামক কোম্পানি তৈরি করেছে। সর্বশেষ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে এ অ্যাপটি ডেভেলপ করা হয়।  গুগল প্লেস্টোর থেকে আপনি বিটমোজি অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন। গুগল প্লেস্টোর থেকে এ অ্যাপটি প্রায় ১০০ মিলিয়ন এর বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে যার মধ্যে প্রায় ৩ মিলিয়ন ইউজারদের ভোটে এ অ্যাপটির ৪.৬ রেটিং। বুঝতেই পারছেন কতটা জনপ্রিয় এ অ্যাপ।  গুগল প্লেস্টোর ছাড়াও অ্যাপেল প্লেস্টোরে অ্যাপটি পাওয়া যায়। তাই সময় না বাড়িয়ে সামনে আগানো যাক। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনারা এ অ্যাপটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন।


নিচের ২য় অপশন Avatar এ ক্লিক করে আপনি আপনার নিজের চেহারার আদলে কার্টূন তৈরি করতে পারবেন
  • যেকোন এনড্রয়েড মোবাইল-এ গুগল প্লেস্টোর এবং এপেল মোবাইল-এ এপেল স্টোর এ ঢুকুন।
  • স্টোর- এ গিয়ে সার্চ বাটনে Bitmoji লিখে সার্চ করুন।
  • সার্চ করার পর আপনি অ্যাপটি পেয়ে যাবেন। এবার অ্যাপটির ডানপাশের অপশনে গিয়ে ইন্সটল বাটনে ক্লিক করুন।
  • কিছু সময় অ্যাপটি ইনস্টল হবার জন্য অপেক্ষা করুন। অ্যাপটি ইন্সটল হবার পর অ্যাপটিতে যেয়ে আপনার স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপের সাথে কানেক্ট করুন। আর যদি স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপ না থাকে তাহলে অ্যাপটির নিচ থেকে দ্বিতীয় বাটন Avatar সিলেক্ট করুন।
  • Avatar অপশনে গিয়ে আপনি নিজের মতো করে আপনার ফেস, নাক, মুখ, চোখ, জামা-কাপড়সহ সব বদলাতে পারবেন। আপনার নিজের মত চেহারা তৈরি হয়ে গেলে এবার গুগল কিবোর্ড -এ যাবেন।
  • গুগল কিবোর্ডে যেয়ে নিচের দেখানো অপশনে গিয়ে ক্লিক করে আপনার পছন্দের ইমোজি পাঠিয়ে দিবেন।

তাহলে হয়ে গেলো আপনার নিজের চেহারার আদলের কার্টুন। এবার যেকোন সময়ে, যেকোন অ্যাপে, যেকোন বন্ধুকে পাঠিয়ে দিন আপনার কার্টুনের ইমোজি। এরকম সুন্দর আর জনপ্রিয় অ্যাপের সন্ধান পেতে আমাকে ফলো করুন। এছাড়াও সকল সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাকে ফলো করতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে এ অ্যাপটি ডাউনলোড এবং ব্যবহার করা নিয়ে একটি ভিডিও আমার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে। ৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের এ ভিডিওটির মাধ্যমে আপনি এ অ্যাপ সমন্ধে পুরোপুরি জানতে পারবেন।


ইউটিউভ চ্যানেলে আমার করা রিভিউ যা দেখে আপনারা এ অ্যাপ সমন্ধে পুরোপুরি জানতে পারবে

Eid Ul Fitr Journey from Dhaka to Bhola (2018) | NRD’s Tour 044

Md. Naimur Rahman (@iamnrdurjoy):

Day 1: 14 June 2018

Journey by Launch from Dhaka Sadarghat

I started my journey towards Bhola my homedistrict. Bhola is approximately
258.2 Km far from Dhaka. Launch is the only and most used transport service what has been being used in this route. So it was 14th June 2018 and my Eid-ul-Fitr holiday was about to start after that day. So I was in hurry to leave office at the noon of 12:30 PM. Actually In any kind of Holiday time, route to Sadarghat and Gulistan become so busy. That’s why a passenger need to arrive early to reach sadarghat in time.


I then went to Nabisco road Nakhalpara at 01:10 pm and was planning to catch a CNG to reach Sadarghat early. After waiting about 30 minutes I then found the mostly used BUS service of Dhaka what called 6 NO BUS. That bus took BDT 20 to transport me at Gulistan. In that day the whole road was very busy. For that reason the roads were full of Traffic Jam.

At 6 No Bus, Nakahalpara

It was 2:35 pm when I reached at Gulistan. Actually I had to leave the bus about 500 Meter away from Gusilstan Bus terminal. I was started to walk with my bag and baggage. It was a painful journey of mine. I had to walk about 30 minutes to catch any vehicle to go at Sadarghat Bus terminal.
I was about to bargain with the rickshaw pullers but they did not want to go at Sadarghat Bus Terminal due to Excessive Traffic Jam.

So at about 3:05 pm I found a LAGUNA what took BDT 30 to take me to Sadarghat Bus Terminal. Actually the real rate is BDT 10 but due to excessive Traffic Jam they claimed extreme money on that day.

At Leguna


After 31 minutes journey by Leguna I then reached at SADARGHAT BUS TERMINAL. I then again needed to walk for 20 minutes.
After purchasing Launch Terminal Ticket in BDT 5 I then arrived at 4:06 pm.


One Single room Cabin Ticket was purchased some days earlier that day. I found a Single Cabin of One renowned launch of DHAKA-BHOLA-DHAKA route MV KARNAFULI 9 at the rate of BDT 1,200. That room was fully furnished with Air Conditioned.


So at about 4:30 pm our launch was started to run. Actually this is not a normal time. All launch services of BHOLA have schedule to arrive from Sadarghat lauch terminal at about 7:00 pm to 8:30 pm. But the launch left for the destination long at Eid time due to the extra passenger pressure for the Eid crowd.

NRD’s Tour 044 at YouTube


DAY 2: 15 July 2018

Reached to Bhola and hangout with friends


After 9 hours and 50 minutes journey I then arrived at Bhola Launch Terminal at about
midnight of 3:20 am. As that was the last Ramadan day I had to take SEHRI. I had a plan to take
my SEHRI with my family as the terminal is about only 9 kilometer away from my home.

It took more than 15 minutes to check out from the launch due to heavy passengers. I then walked through the road and found a rickshaw with what I had a contract to transport me to my home at the rate of BDT 150. That time I still had plan to take my sehri with my family. But it was too late. I then purchased three pcs of Cake and one bottle Juice and took my sehri at rickshaw.
I then reached my home at about 3:45 am. I didn’t have so much plan in that day. I spend my whole day idle in that day. All I just do that I took my JUMMA Prayer and had a long time discussion with my dear friends.


DAY 3 : 16 June 2018

Eid Ul Fitr Day


EID MUBARAKH!
So my Eid day was about to start. I with my friends and family took our Prayer at 8:30 am. It was a great day for me. After taking Eid prayer we all brothers and friends did EID hug each other. We took so much photos and selfies on that day. And then my day was started.

From Left, I, Shanto, Swapan, Ali, Imran
Nizam Hasina Mosque at Bhola, Bangladesh

To Be Continue……..

Watch “Tour to Bheduria of Bhola| Part 02 | NRD’s Tour 052| ভোলার ভেদুরিয়া ভ্রমণ |দ্বিতীয় পর্ব” on YouTube

করোনা বাংলাদেশের পর্যটনের জন্য আশীর্বাদ

মোঃ নাইমুর রহমান (@iamnrdurjoy):

করোনা ভাইরাস বা কোবিড-১৯, একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ। মানবসভ্যতা হয়তোবা যুদ্ব, হিংসা, বিদ্বেষ নিয়েই এতদিন ব্যস্ত ছিল। আজ মানবসভ্যতার সকলকেই একত্র হয়ে এই দুর্যোগের বিরুদ্বেই সোচ্চার হতে হচ্ছে। ২০১৯ সালে সর্বপ্র্রথম চীনের উহান প্রদেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়। ২৬ আগস্ট ২০২০ তারিখে worldometers.info এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই এ পর্যন্ত মোট ২৪.২২ মিলিয়ন মানুষ কোবিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত। এ ভাইরাসে আক্রান্তের প্রায় রোগী ৩.৪১% রোগী ইতিমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং ৬৯.২১% রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বাংলাদেশে ৮ মার্চ ২০২০ তারিখে সর্বপ্রথম পাওয়া রোগী দিয়ে কোবিড-১৯ তার ভয়াবহতা শুরু করেছিল। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রায় ৩০৩,০০০ জন মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। আশার কথা হচ্ছে বাংলাদেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা অন্যান্য দেশের তুলনায় কম।

হয়তোবা বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে অতিকায় ক্ষুদ্র একটি দেশ। কিন্তু যুগে যুগে অনেক ভিনদেশী এসে কিন্তু এদেশকেই তাদের স্থায়ী বাসস্থান বানিয়েছে। কেননা সবুজ শ্যামল এ দেশটি পর্যটন শিল্পে যে বৈচিত্রময় তা সহজেই পর্যটকদের আকর্ষণ করতে পারে। এদেশে পর্যটকদের আকর্ষিত করার জন্য পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার নেই; সাথে রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন- সুন্দরবন, সমুদ্রকন্যা নামে খ্য়াত কুয়াকাটা, দুটি পাতা একটি কুঁড়ির সবুজ রঙের নয়নাভিরাম চারণভূমি-সিলেট, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা পার্বত্য চট্টগ্রাম, বাংলার আভিযাত্যের অতীতের স্বাক্ষীস্বরুপ উত্তরাঞ্চলের প্রত্নতাত্তিক নিদর্শনগুলো।

পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ সমুদ্র সৈকত,কক্সবাজার

বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি পর্যটন শিল্প। করোনা ভাইরাসের কারণে এ শিল্পের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। মার্চের পর করোনার প্রভাবে বন্ধ ছিল সকল ধরণের যোগাযোগ ব্যবস্থা। এমনকি বন্ধ ছিল সকল পর্যটন স্থান। তবে দীর্ঘ কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ সরকারের আদেশক্রমে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রায় সকল পর্যটন স্থান এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হয়েছে। বাংলাদেশর প্রেক্ষাপটে করোনা ভাইরাস সত্যিই পর্যটন শিল্পের জন্য আশীর্বাদস্বরুপ। কেননা বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বাংলাদেশের মানুষদের আকর্ষণের প্রায় সব ধরণের পর্যটন কেন্দ্র এ দেশে বিদ্যমান। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় সকল মানুষই ঘরবন্ধী মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের বিনোদনের একমাত্র ক্ষেত্র হতে পারে পর্যটন শিল্প। মাস ছয়েক আগেও এদেশের মানুষ সমুদ্র সৈকত ঘুরতে যাওয়ার জন্য প্রাধান্য দিতো সুদূর আমেরিকার মানামি বিচ বা ব্যাংককের পাতায়া বিচ। সেই সময় তাদের মাথায় পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের চিন্তা না থাকেলেও আজ কিন্তু তাদের পছন্দের তালিকায় সবচেয়ে উপরে থাকবে কক্সবাজারের নাম।

আমরা সবাই জানি দীর্ঘ চার মাসের বেশি সময় ধরে পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকার কারণে প্রকৃতি যেন ফিরে পেয়েছে তার হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য। আজ দেখা যায়না ম্যানগ্রোভ বন; সুন্দরবনে অবাধ বন্যপ্রাণী হত্যা; আজ দেখা যায়না কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে খালি বোতলের স্তুপ আর ময়লা আবর্জনা। আমরা এতোদিন আমেরিকার এডভেঞ্চার সিনেমাগুলোতেই দেখে এসেছি ডলফিন, তিমির খেলাধুলা। হয়তোবা এদেশে তিমি দেখা না গেলেও আমরা এ সময়ে এসে দেখতে পারছি কীভাবে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ডলফিনরা খেলাধুলা করছে। কাঁকড়ার অবাধ বিচরণ সবার দৃষ্টি কেড়েছে। এইযে এত সব বিচিত্র জিনিস আমরা দেখতে পারছি তাকি করোনা ভাইরাসের কল্যানে নয়? আমরা কীভাবে অস্বীকার করতে পারবো যে করোনাভাইরাস এদেশর পর্যটন শিল্পের জন্য আশীর্বাদ নয়?

এইতো সেদিনের কথা, আমার এক বন্ধু যাকে সবসময় বই নিয়ে থাকতে দেখেছি, সে হঠাৎ আমাকে বলে উঠলো কোথাও ঘুরতে যাবার কথা। করোনার কারণে এতদিন যেসকল মানুষরা এদেশকে দেখার, চিনার , উপভোগ করার চিন্তাও করেনি সেসকল মানুষরাও আজ এদেশকে দেখতে চায়, উপভোগ করতে চায়। আজ এমন একটি মানুষ খুজে পাওয়া দুস্কর হবে যে এদেশকে, এদেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে উপভোগ করতে চায়না।

করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের বহু প্রতীভাবান তরুণ আজ চাকরি হারিয়ে বেকার হয়েছে। আজ তারা যে যার জায়গা থেকে দেশকে বহিবির্শ্বে তুলে ধরার সময় পেয়েছে। সেক্ষত্রে তারা নিজেদের জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, শহর, গ্রামের মধ্যে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তুলতে পারে। কেননা পর্যটনকেন্দ্র গড়ে  তুলতে কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ করতে হয়না। বিনিয়োগ করতে হয় দেশের প্রতি ভালোবাসা আর নতুনকে দেখার প্রবল ইচ্ছা।

প্রকৃতির সাথে আমাদের হৃদয়ের বন্ধন আমরা বুঝতে পেরেছি এ করোনা ভাইরাসের কারণেই। একটি সময় ছিল যখন আমরা সপ্তাহে একদিন সিনেফ্লেক্সে সিনেমা দেখাকেই বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম মনে করতাম। আমরা মনে করতাম প্রতিদিন ফেসবুক, ইউটিউভ, নেটফ্লিক্স উপভোগ করাটাই পৃথিবীর সেরা সুখ। করোনার কারণে আমরা এ ধরণের ভার্চুয়াল বিনোদন প্রচুর পরিমাণে পেয়েও একটি জিনিসের কিন্তু আমরা সত্যিই অনেক অভাব অনুভব করছি। সেটা হচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে অবলোকন করা। এজন্যই এখন জানালার পাশে দাড়ালেই মন চায় আপন মনে ঐ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি। আকাশের ঐ চাঁদকে যেন আরো কাছ থেকে দেখতে ইচ্ছে করে। আজ মানুষের এ মনস্তাত্তিক বদলের কারণকি করোনা ভাইরাস নয়?

করোনার কারণে আমরা এ ধরণের ভার্চুয়াল বিনোদন প্রচুর পরিমাণে পেয়েও একটি জিনিসের কিন্তু আমরা সত্যিই অনেক অভাব অনুভব করছি। সেটা হচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে অবলোকন করা। এজন্যই এখন জানালার পাশে দাড়ালেই মন চায় আপন মনে ঐ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি। আকাশের ঐ চাঁদকে যেন আরো কাছ থেকে দেখতে ইচ্ছে করে।

একটা সময়ছিল প্রায় সকলেরই ইচ্ছে ছিল বন্ধুবান্ধব, আত্নীয়স্বজন, পরিবার নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়া। সেসময় দেখা যেত প্রত্যেকেরই যাওয়ার ইচ্ছা থাকার পরও ছুটির সময় এক না হবার কারণে কোথাও ঘুরতে যেতে পারছে না। বর্তমান পরিস্থিতি অবলোকন করলে দেখা যায় করোনার কারণে প্রায় বেশিরভাগ মানুষই অলস সময় কাটাচ্ছে । যারাও অফিস করছে সপ্তাহের প্রায় অর্ধেক সময় বাসায় অঘোষিত ছুটি কাটাচ্ছে। এজন্য বেশিরভাগ মানুষ মাসের কিছু দিন সময়টাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণে যাচ্ছে।

কক্সবাজারে মেরিন ড্রাইভ, সরকারের করা বিগত ১০ বছরের অন্যতম কাজ

বর্তমানে বাংলাদেশের বেকার সমস্যা নিরসনে পর্যটন শিল্প ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারে। বর্তমান সরকার বিগত কয়েক বছর পর্যটন শিল্পের জন্য অনেক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটনমোটেল তৈরি করা, কক্সবাজারে মেরিন ড্রাইভ, ইনানী সমুদ্র সৈকত, হাজাছড়া জলপ্রপাত, দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবনের ব্যাপক পরিবর্তন, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের আধুনিকায়ন পার্বত্য চট্টগ্রামের নীলগিরী, নিলাচল, মেঘলা, সাজেক ভ্যালীর উন্নয়ন ইত্যাদি সরকারের করা বিগত ১০ বছরের অন্যতম কাজ। এক পরিসংখ্যানে জানা যায় বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৮ লাখ তরুণ চাকরির বাজারে আসছে যার একটি বিরাট অংশ বেকার থেকে যাচ্ছে। যেহেতু পর্যটন একটি শ্রমঘন শিল্প তাই বেকারত্ব নিরসনে বাংলাদেশে পর্যটন শিল্প একটি বিরাট ভূমিকা পালন করতে পারে। আর করোনাকালীন সময়ে তরুণদের জন্য পর্যটনশিল্প একটি যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হতে পারে। হয়তোবা সেদিন আর বেশি দূরে নেই যেদিন ইউরোপ, আমেরিকার সাথে পাল্লা দিয়ে এশিয়ার এই ছোট্ট দেশ বাংলাদেশ ও পর্যটনশিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে। তখন হয়তো কারো মাথায় এচিন্তা নাও আসতে পারে করোনা কীভাবে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে বিপ্লব নিয়ে এসেছিলো। কিন্তু এর জর্ন শুধু সরকারের সাহায্য নয় আমাদের আপামর জণগণকেও কাজ করতে হবে। আর এভাবেই আমরা আমাদের সোনার বাংলার ঐতিহ্যকে আঁকড়ে ধরে পৃথিবীর মাঝে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারবো।

ইনশাআল্লাহ্।

অহংকার এবং কর্মঠতা

কর্মঠ লোকেরা নিতান্তই খুব নিরহংকারী হয়। আর যারা অহংকারী তারা কখনো কর্মঠ হতে পারেনা, আর অহংকার আর কর্মঠতা একে অপরের সাংঘর্ষিক।
#nrdsthoughts

Poem for Baba! (তার নাম বাবা!)

বাবা! আব্বু! আব্বি! আব্বুজান! বাজান! কারো মুখে এই নামগুলো শুনলেই একটা ভরসার, শক্তির, আশার কথাই মাথায় আসে। বাবা মানে হচ্ছে কিছু শাসন, কিছু আদর, কিছু ভয়ের গল্প আর অনেক শান্তির গল্পের সমাহার।
আজ আমার বাবা আমার সাথে নেই কিন্তু বাবার প্রতিটা সুখ, কষ্ট, আশা আর ভরসা আমার চোখে ভাসে। শুনেছি প্রতি বছরের জুন মাসের তৃতীয় রবিবার নাকি বিশ্ব বাবা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। তবে আমার মতো অনেকের মতে বাবা মায়েদের জন্য নির্দিষ্ট কোন দিন থাকা যথেষ্ট বেমানান।
তবে একটি নির্দিষ্ট দিনে, দিনটি পালন করলে ক্ষতি কিসের। আর তাই পৃথিবীর প্রত্যেকটি বাবার জন্য আমার লেখা এই কবিতাটি। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। ভালো লাগলে নিজেদের বাবাদেরকে এই কবিতাটি উৎসর্গ করবেন আর লাইক, কমেন্ট, শেয়ার দিয়ে পাশে থাকবেন।

চরফ্যাশন অভয়ারণ্য, ভোলা, বাংলাদেশ

9 FACTS OF CHARFASHION SANCTUARY