
শহরের বাতিতে আলো জ্বলে, অন্ধকারটা মানুষ হলে— কোন আইনে বিচার হবে? কোন আদালত জবাব দেবে?
একটা শিশু কাঁদে রাতে, রক্ত মাখা নীরব পথে, মানুষ নাকি পশু ছিল? নাকি দু’চোখ অন্ধ ছিল?

ওরে ধর্ষক! তোর মুখে আগুন হোক! শিশুর কান্না আকাশ ভেদে, তোর বিচার একদিন ডাকবে রে!
ওরে নীরব সমাজ! তুইও আজ অপরাধী! চুপ থাকা মানেই তো পাপকে দেওয়া সম্মতি!
মায়ের কোলে ঘুমিয়ে থাকা ছোট্ট স্বপ্ন ভাঙে কারা? স্কুলগেট আর মাদ্রাসাতে লুকিয়ে থাকে শয়তানরা!
ক্ষমতার ওই উঁচু চেয়ার, কত নোংরা, কত অন্ধকার— ফাইল ঘুমায়, বিচার মরে, মানবতা যায় কবর ঘরে!


ওরে বিচারক! কেন এত দেরি তোর? শিশুর লাশ ঠান্ডা হয়ে যায়, রায় আসে বছর ভর!
ওরে সরকার! শুধু ভাষণ নয় আর! রাস্তার ভয়ে শিশু কাঁপে— এ কেমন স্বাধীনতার দ্বার?
যে জাতি শিশুর কান্না শুনে, ঘুমিয়ে থাকে আরামে, সেই জাতির পতাকা আজ, লজ্জায় কাঁপে অন্ধকারে।


ফেসবুকের ক্ষোভের আগুন, দুইদিন পরে ঠান্ডা হয়, কিন্তু একটা শিশুর জীবন চিরদিনের মতো ক্ষয়।
আমি আজ গান নয়, রক্তের ভাষা লিখতে এসেছি— যে শিশুর চোখ থেমে গেছে, তার হয়ে চিৎকার করতে এসেছি!
না, আর না! এই নীরবতা ভাঙতেই হবে! ধর্ষকের হাত গুঁড়িয়ে দিয়ে, মানুষ আবার জাগতেই হবে!


ওরে মানুষ! এখনও যদি না জাগিস— তোর ঘরের শিশুটাও একদিন, নিরাপদ আর থাকবে না রে!
তাই রাস্তায় নাম, শব্দ হোক বিদ্রোহ! শিশুর হাসি বাঁচাতে আজ, প্রতিবাদ হোক আমাদের শপথ!

Leave a comment