শৈশবের সেই দেড় বছরের ক্ষণ,
মায়ের বুকে ভাইকে দেখে থেমে যায় দুগ্ধপান।
সেই থেকেই শিখেছি ছেড়ে দেওয়া,
কিন্তু মানতে পারিনা কিছু হারিয়ে যাওয়া।

বড় হতে হতে বুঝেছি আমি আলাদা,
আমার ভেতরে ভালোবাসা যেমন নদীর মতো,
রাগ-ও নদীর স্রোতের মতো।
যে ভালোবাসে, তার জন্য জীবন রাখি হাতের মুঠোতে।
কিন্তু সে যদি কেটে দেয় সেতুর পথ,
আমিও বদলে যাই খুব সহজে—
যেন রৌদ্রের হাসি মিলিয়ে যায় মেঘে।
আমার কাছে শরীরের স্পর্শ বড় কিছু নয়,
তবুও কাছে না পেলে, রাত জাগে চোখ,
স্বপ্নে ঘুমের গায়ে টোকা দেয় শূন্যতা।
হাজার চেষ্টা করেও তা থামাতে পারিনা।
কিন্তু প্রিয়, আমার ভয়ের মূলটা অন্য—
যখন তোমার ‘না’ শোনাই যেন এড়িয়ে যাওয়া,
যেন তিরস্কারের নীরব ছায়া—

তখন আমি হারিয়ে ফেলি আমার মিষ্টি রূপ,
জেগে ওঠে আমার দ্বিতীয় অবতার,
করে ফেলে আমাকে চুপ।
তুমি যদি জানতে,
আমি শুধু চাই তোমার কাছে থাকা,
তোমার ভালোবাসার আলোয়, ডুবে থাকা,
তাহলে হয়তো আর কোনো রূপ বদলাতো না—
থেকে যেতাম শুধু তোমার সেই ভালোবাসার আমি।

ধাক্কা খেতে খেতে শিখেছি আমি,
সবকিছু বদলালে ও বদলাবে না তুমি,
আর তাই আমার প্রথম রূপের চেয়ে,
দ্বিতীয় রূপটাই হয়ে যাচ্ছে অনেক দামি।

Leave a comment