
ক্যাম্পাসের সেই বিকেল, আবৃত্তির সুরে,
চোখে চোখ রেখে শুরু গল্প নীরব নীল ঘোরে।
প্রাচীর মনে জন্ম নিল অচেনা এক টান,
নিহাদ তখনো জানে না সেই ভালোবাসার গান।
ফুচকার অজুহাতে ডাক, লাজুক কথার ঢেউ,
রাগে লাল মুখে তখনও লুকিয়ে থাকে সে।
হাসির ফাঁকে অজান্তেই লিখে যায় মন,
বন্ধুত্বের আড়ালে জমে ওঠে ভালোবাসার ক্ষণ।

তুমি ছিলে পাশে তবু বুঝিনি আমি,
নীরব ভালোবাসা লিখেছিলে নামই।
আজ হাত ধরে বলি—হারিয়ে যেও না,
তুমি আমার প্রাচী, পূর্ণিমার চাঁদ সোনা…

ক্যাম্পাস জুড়ে গুঞ্জন—“ওরা কি একসাথে?”
নিহাদ হেসে বলে—“শুধুই বন্ধু, এতেই তো যথেষ্ট।”
প্রাচীর চোখে তখন অমাবস্যার ছায়া,
কথা না বলেই ভেঙে যায় মনের মায়া।
হঠাৎ একদিন সে হারিয়ে গেল দূরে,
নাম্বার বন্ধ, নীরবতা জমে হৃদয়ের সুরে।
তখন বুঝল নিহাদ—কিছু একটা হারিয়েছে,
যে ছিল পাশে সবসময়, সে-ই দূরে চলে গেছে।

তুমি ছিলে পাশে তবু বুঝিনি আমি,
নীরব ভালোবাসা লিখেছিলে নামই।
আজ হাত ধরে বলি—হারিয়ে যেও না,
তুমি আমার প্রাচী, পূর্ণিমার চাঁদ সোনা… 🌙

গাছের আড়াল থেকে ডাকি—“যেও না থেমে যাও,”
গানের সুরে মিশে যাক না বলা সব চাও।
চাঁদ একটাই থাকে, আকাশ ভরাতে আলো,
তুমি সেই প্রাচী—আমার জীবনের ভালো।
ভালোবাসার রং নেই, তবু রাঙায় মন,
তোমায় ছাড়া আজ অসম্পূর্ণ এই জীবন।
আজ বুঝেছি তুমি ছিলে আমার সব,
নীরব ভালোবাসা ছিল হৃদয়ের রব।
হাতটা ধরো এবার, ছেড়ে যেও না,
তুমি আমার প্রাচী—চিরদিনের চাঁদ সোনা…

গোলাপ না থাকলেও ফুল ছিল হাতে,
“স্টুপিড” বলে হেসে বললে—থাকবো তোমার সাথে…
হাতে হাত রেখে শুরু হলো পথ,
ভালোবাসা লিখল নতুন জীবনের শপথ…

Leave a comment