১. স্থাপনসাল: ভোলা জেলা ১৯৮৪ সালে স্থাপিত হয়েছিল।
২. ভোলা যে নামে পরিচিত: ভোলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে ভোলা জেলাকে ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ বলা হয়। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
৩. ভোলার পূর্ব নাম: ভোলার পূর্ব নাম ছিল দক্ষিণ শাহবাজপুর।
৪. ভোলার আয়তন: ভোলার আয়তন ৩৪০৪.৪৮ বর্গ কি.মি (১৩১৪ বর্গ মাইল)। যদি ভোলা একটি দেশ হতো তাহলে আকারে এটি পৃথিবীর ১৬৮ তম দেশ হতো। যার মানে পৃথিবীতে ২৮ টি স্বাধীন দেশ রয়েছে যেগুলো ভোলা জেলা থেকেও আয়তনে ছোট।
৫. ভোলার জনসংখ্যা: ভোলা জেলার জনসংখ্যা প্রায় ২.০৪ মিলিয়ন বা ২০ লাখ ৪০ হাজার। যার মানে পৃথিবীতে প্রায় ৪৯ টি স্বাধীন দেশ রয়েছে যেদেশগুলোর জনসংখ্যা ভোলা থেকে কম।
৬. পুরুষ/মহিলা অনুপাত: ভোলাতে পুরুষ মহিলার অনুপাত ১০০:১০৫।
৭. ভোলার ভাষা: ভোলাই বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার নিজস্ব কোন ভাষা নেই।
৮. ভোলার উপজেলা, ইউনিয়ন এবং পৌরসভা সংখ্যা: ভোলা জেলার ৭ টি উপজেলা, ৫ টি পৌরসভা এবং ৬৬ টি ইউনিয়ন রয়েছে।

৯. ভোলার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব: শহীদ জাতীয় বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল এবং সমাজতান্ত্রিক নেতা নলিনী দাসের জন্ম এই ভোলাতেই।

১০: ভোলার জনপ্রিয় খাবার: মহিষের দুধের দইয়ের জন্য ভোলা জেলা খুবই বিখ্যাত। এটি বানানোর প্রক্রিয়াটি এখন পর্যন্ত অভিন্ন। এটি ঐতিহ্যবাহী ভাবে ওখানকার বানানো পটে ১৮ ঘন্টা সময় ধরে রেখে তৈরি করা হয়। ভোলা দ্বীপে এটি খুবই জনপ্রিয় এবং ওখানকার বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেমন বিয়ে, ফেস্টিবাল এবং অন্যান্য বিশেষ অনুষ্ঠানে এটি পরিবেশন করা হয়।
To know about Top ten interesting facts of Bhola in English click the link below: https://iamnrdurjoy.wordpress.com/2020/10/15/toptenfactsbholainenglish



Leave a comment