১. স্থাপনসাল: পিরোজপুর জেলা ১ মার্চ ১৯৮৪ সালে স্থাপিত হয়েছিল।
২. যেভাবে পিরোজপুর নামটি এসেছে: “পিরোজপুর” নামটি মুঘল সম্রাট শাহজাহানের নাতি এবং শাহ সুজার দ্বিতীয় পুত্র ফিরোজ শাহের নাম থেকে এসেছে।
পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, ফিরোজ শাহ এই অঞ্চলে মারা যান এবং পরে অঞ্চলটি ‘ফিরোজপুর’ নামে পরিচিতি পায়। সময়ের সাথে সাথে ‘ফিরোজপুর’ উচ্চারণটি ধীরে ধীরে ‘পিরোজপুরে’ পরিণত হয়ে যায়।

মুঘল সম্রাট শাহজাহান 
শাহ সুজা
৩. পিরোজপুরের পূর্ব নাম: পিরোজপুরের পূর্ব নাম ছিলো ’মহকুমা’।
৪. আয়তন: পিরোজপুরের আয়তন ১২৭৭.৮০ কিমি (৪৯৩.৩৬ মাইল)। এটি একটি দেশ হলে এটি বিশ্বের আকারে ১৭২ তম হতো। যার মানে বিশ্বের ২৪ টি স্বাধীন এবং স্বতন্ত্র দেশ রয়েছে যারা পিরোজপুরের চেয়ে ছোট। পিরোজপুর আয়তনে বাংলাদেশের ৪৯ তম জেলা।
৫. জনসংখ্যা: পিরোজপুরে প্রায় ১.১১ মিলিয়ন বা ১১ লাখ লোক বসবাস করে। যার মানে পৃথিবীর ৪০ টি স্বতন্ত্র দেশ রয়েছে যাদের পিরোজপুরের চেয়ে কম জনসংখ্যা রয়েছে। জনসংখ্যার দিক দিয়ে পিরোজপুর বাংলাদেশের ৪৮ তম জেলা। পিরোজপুরের এক বর্গকিলোমিটারে প্রায় ৮৬৮ জন লোক বাস করে।
৬. পুরুষ / মহিলা অনুপাত: পিরোজপুরে পুরুষ ও মহিলার অনুপাত ১ঃ১.২।
৭. পিরোজপুরের লোকেরা যে নামে পরিচিত: পিরোজপুরের লোকেরা “পিরোজপুরী”, “ফিরোজপুরী” নামে পরিচিত।
৮. পিরোজপুরের উপজেলা, ইউনিয়নএবংপৌরসভা সংখ্যা: পিরোজপুর জেলার ৭ টি উপজেলা, ৪ টি পৌরসভা এবং ৫৪ টি ইউনিয়ন রয়েছে।
৯. গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব: ১৯৬০-৬১ সালের ইউনেস্কোর সাহিত্যের পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশী কবি আহসান হাবিব (জন্ম: ২ ফেব্রুয়ারী ১৯১৭) (মৃত্যু: ১০ জুলাই ১৯৮৫) এবং বাংলাদেশী যাদুকর জুয়েল আইচসহ আরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এই পিরোজপুর জেলাতেই জন্মগ্রহণ করেছেন।
১০. পিরোজপুরের জনপ্রিয় খাবার: পিরোজপুর প্রাকৃতিক ফল যেমন নারকেল, পেয়ারা, আমড়া, পান, সুপাড়ি ইত্যাদির জন্য বিখ্যাত

সুপাড়ি 
নারকেল 
আমড়া 
পেয়ারা
To know about Top ten interesting facts of Pirojpur in English click the link below:





Leave a comment